শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৪

অষ্টদশ নোট : ইসলাম ধ্বংসের এক নতুন চক্রান্ত

আমার অষ্টদশ নোট : ইসলাম ধ্বংসের এক নতুন চক্রান্ত 'ইন্টারফেইথ ডায়লগ'


'ইন্টারফেইথ ডায়গল'  ‌বাংলা করলে অর্থ দাড়ায় 'আন্তধর্মীয় সংলাপ'। যার ভাবানুবাদ -সকল ধর্মের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য সমঝোতা করা। বিষয়টা শুনতে ভালো শোনা গেলেও  এর পেছনের রয়ে গেছে ইসলাম ধ্বংসের এক গভীর ষড়যন্ত্র। আমার এবারের নোট সেই ইন্টারফেইথ ডায়লোগের মুখোশ উন্মোচন করেই তৈরী করা।

কিভাবে শুরু হলো এ ইন্টারফেইথ ডায়গল ???

ইন্টারফেইথ ডায়লগের উদ্ভাবক হচ্ছে সউদী ওহাবী বাদশাহ আব্দুল্লাহ। বাদশাহ আকবর যেমন দ্বীন-ই-ইলাহি নামক সর্বধর্ম চালু করেছিলো, সউদী বাদশাহও তেমনি মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য এ নতুন সিস্টেম আবিষ্কার করে। এ সম্পর্কে আব্দু্ল্লাহ নিজেই বলে :


‍২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে আব্দুল্লাহ ভ্যাটিকান সিটিতে খ্রিস্টানদের পোপের সাথে দেখা করে এবং বলে, 'আমি পোপের কাছে বিষয়টা উত্থাপন করলাম এবং বললাম : আমাদের সবাইকে গড এর ইচ্ছায় প্রেরণ করা হয়েছে এবং নিদের্শনা রয়েছে বাইবেল, তাওরাত ও কুরআনে। আমরা সবাই গডের কাছে প্রার্থনা করবো এটা নিশ্চিত করতে যে-আমরা একটি মাত্র বিষয়ে একত্র হবো, যেটা আমাদের সবার মধ্যেই আছে এবং আমরা সবাই মানবতা রক্ষার জন্য প্রার্থনা করবো'
এ প্ল্যান বাস্তবায়নে, ২০০৮ সালে ৪ঠা জুন মক্কা নগরীতে ডাকা হয় প্রথম সম্মেলন। যার নাম রাখা হয় 'মক্কা কনফারেন্স। সেখানে সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৫০০ ইসলামী ব্যক্তিত্বকে দাওয়াত দেয়া হয়, উদ্দেশ্য, ইন্টারফেইথ এর বিষয়টা ছড়িয়ে দেয়ার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য।

এরদিছুদিন পর জুলাই মাসের ১৬ তারিখ, স্পেনের মাদ্রিদে তিনদিন ব্যাপী বিশ্ব সম্মেলনের ডাক দেয় বাদশাহ আব্দুল্লাহ। ঐ সময় বাদশাহ আব্দুল্লাহ'র সঙ্গে ছিলো স্পেনের রাজা প্রথম জুয়ান কার্লোস। এ অনুষ্ঠনটির পরিবেশনের দায়িত্বে ছিলো সউদী ওহাবীদের একটি সংগঠন 'মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ'। এ অনুষ্ঠানে সারা বিশ্ব থেকে সকল ধর্মের ৩০০ জন ব্যক্তিত্বকে দাওয়াত দেয়া হয়। তারা এ আলোচনায় নিজের মৌলিক উদ্দেশ্য, যেমন: এক গডে বিশ্বাস, মানবতা প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি  নিয়ে আলোচনা করে। এ্ই বিষয়টি যেন জাতিসংঘের উদ্যেগে সারা বিশ্বব্যাপী করা হয় সে জন্যও উক্ত অনুষ্ঠানে আহ্বান জানানো হয়।



























পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশের নেতারা এ বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একত্র হয় নিউইয়র্কে। ২০০৮ সালের ১২-১৩ নভেম্বর বিশেষ ঐ সম্মেলনে বাদশাহ আব্দুল্লাহ ছাড়াও ঐ দলে ছিলো: জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, পাকিস্তানের আসিফ আলী জারদারি, ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট গ্লোরিয়া এরোয়ো, ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ এবং জর্ডানের বাদশাদ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ।





ছবি: ইন্টারফেথ ডায়লগের আহবান জানাচ্ছে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ।
 
পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ৩০ শে সেপ্টেম্বর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বাদশাহ আব্দুল্লাহ'র নিদের্শনায় দুইদিন ব্যাপী সম্লেলন হয়।  বিষয়টিকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে, জেনেভায়তে ২০১১ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠা করা হয়, কিং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টাররিলিজিয়াস এবং ইন্টারকালচারাল ডায়গল (KAICIID)। মূলত এ ডায়গল সারা বিশ্বব্যাপী সউদী উদ্যোগে ছড়িয়ে দেয়া হয় এবং এর পেছনে ইনভেস্ট করা হয় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারল। আর সেই অর্থের যোগান দেয় সৌদী ওহাবী সরকার।



ছবি: জেনেভায় অবস্থিত কিং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টাররিলিজিয়াস এবং ইন্টারকালচারাল ডায়গল (KAICIID) কেন্দ্র

এরপর থেকে সউদী অর্থে বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হতে থাকে ইন্টারফেইথ ডায়লগ কার্যক্রম। 


















এখন আপনারা বলতে পারেন, এতে সমস্যা কোথায় ?? যদি সব ধর্মের মানুষ এক সাথে শান্তিপূর্ণভাবে থাকা যায় তবে তো ভালই হয়। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে, ইসলাম অনুসারে সব ধর্ম এক হয়ে থাকা কখন সম্ভব নয়।
১) মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন এবং সমস্ত ধর্মকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন।  এবং একই সাথে কাফিরদের শত্রু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাহলে শত্রুর সাথে কিভাবে সমঝোতা করা যায় ???
২) এখানে এক গডে বিশ্বাসের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের মূল ভিত্তি অর্থাৎ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলা্ইহি ওয়া সাল্লামের জন্য আমারা মুসলমান। এখানে নবীজিকে ত্যাগ করে শুধু গডে বিশ্বাস করা মুসলমানদের জন্য সম্ভব নয়।
৩) সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে, কিন্তু মুসলমানরা তো কাফিরদের নির্যাতন করছে না। তাহলে কেন বুশ কিংবা ইসরাইলের শিমন পেরেজ মুসলমানদের শান্ত হতে বলছে। বিষয় হচ্ছে, তারা মুসলমানও মারবে আবার এর মাধ্যমে শান্তির কথা বলে মুসলমানদেরও শান্ত করবে।
৪) প্রকৃতপক্ষে এ অনুষ্ঠানটির অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে, জিহাদ সম্পর্কে নিরুৎসাহিত করা, যেন কাফিররা মুসলমানদের মার দিলেও মুসলমানরা তার প্রতিবাদে একতবদ্ধ না হতে পারে।


সর্বশেষ যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবতারণা করছি, এ ডায়লগ চলাকালে অন্যধর্মের সকলেই বলেছে, মুসলমানদের পবিত্র কুরআন পাকে ৭০০ আয়াত শরীফ আছে, যেগুলো কাফিরদের বিরুদ্ধচারণ করা হয়েছে, তাদের শত্রু বলা হয়েছে, তাদের সাথে জিহাদের কথা বলা হয়েছে। যদি মুসলমানদের সাথে সন্ধি করতেই হয় তবে সে সকল আয়াত শরীফ বাদ দিতে হবে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের কিং কাউন্টি হাসপাতলের একজন মুসলিম ডাক্তার অামাকে জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এক ধরনের কুরআন শরীফ পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে জিহাদের আয়াত শরীফগুলো নেই। রিপ্রিন্ট করা ঐ কুরআন শরীফ নাকি পাবলিশ করা হয়েছে কুয়েত থেকে,, যা এখনও মিডিয়াত আসেনি।
 

সূত্র:
১) এখানে সউদী সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একটি ম্যাগাজিন পিডিএফ পাবেন, যেখানে পুরো বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে: http://saudiembassy.net/files/PDF/Reports/Interfaith_Magazine_Jan_2011.pdf
২) KAICIID কেন্দ্র সম্পর্কে জানতে পারবেন : http://en.wikipedia.org/wiki/KAICIID_Dialogue_Centre
৩) বাংলাদেশওকওে এ গ্রুপে সংযুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে : http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=6&id=37090&date=2010-03-21
৪) http://www.worldfolio.co.uk/region/middle-east/saudi-arabia/king-abdullah-bin-abdulaziz-saudi-arabia-makkah-n1297




সপ্তদশ নোট:bd রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ভারতীয় আগ্রাসন


আমার সপ্তদশ নোট: বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ভারতীয় আগ্রাসনের নতুন পন্থা, যা বন্ধ করা অতিব জরুরী


বাংলাদেশে ৩৫তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে 'রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়' প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ চুক্তিতে যৌথ অর্থায়নে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ীতেই হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস। একই সঙ্গে আরো দুটি ক্যাম্পাস কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ও নওগাঁর পতিসরে থাকবে। রবীন্দ্র মতাদর্শ প্রচারে, বিশ্বভারতী’র আদলে চলবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি। গত ৮ই এপ্রিল, ২০১৪ জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানায়, আগামী ২৫ বৈশাখ(২৩শে এপ্রিল, ২০১৪) রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করা সম্ভব না হলেও আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অগ্রগতি জানতে চেয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার তাগাদাও দিয়েছে বলে জানা গেছে। (তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল ৫ জানুয়ারি ২০১৩, দৈনিক ডেসটিনি ১৭ জানুয়ারি ২০১৩, বাংলামেইল ৮ই এপ্রিল)

ভারতের জাতীয় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেমন লোক ছিলো?? 

রবীন্দ্র ও তার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের ঐতিহাসিক পরিচয়ই হলো লম্পট, ব্যভিচারী,  অনাচারী, ব্রিটিশদের দালাল, মদ্যপায়ী, দুর্নীতিবাজ ও কুৎসিত ব্যধিগ্রস্ত হিসেবে।
ইতিহাসে রয়েছে, রবীন্দ্রের পূর্বপুরুষরা ছিল অত্যন্ত গরিব। ভাত জোটাতে একদা তাদের পরিবারের 
লোকেরা তাদের ঘর ছেড়েই বের হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর তাদের দালালি করে এবং অনৈতিক ব্যবসায় জড়িয়ে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির উত্থান ঘটে। রবীন্দ্রের দাদা দ্বারকানাথ ছিল মাত্র দেড়শ’ টাকা বেতনে এক ইংরেজের চাকর মাত্র। সেখান থেকে ব্রিটিশদের দালালির মাধ্যমে তার উত্থান ঘটে। তাছাড়া কলকাতায় তার ছিল বহু বেশ্যাখানা, মদ ও আফিমের ব্যবসা। ঘোড়ার রেস, বিপদে পড়া লোকের হিতাকাঙ্খী সেজে তার টাকা খাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে সে ফুলে ফেঁপে উঠেছিল।
কলকাতার লেখক রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছে, “রবীন্দ্রের ঠাকুর্দা, দ্বারকানাথ ঠাকুরের তেতাল্লিশটা বেশ্যালয় ছিল কলকাতাতেই।” কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার ২৮শে কার্তিক ১৪০৬ সংখ্যায় ছাপা হয়েছেÑ “অতএব, মদের ব্যবসায় নামলো রবীন্দ্রের ঠাকুর্দা। কিছুদিনের মধ্যে আফিময়ের ব্যবসায়ও হাত পাকালো ও বাজিমাত করলো কুরুচির রেসে। ”
(তথ্যসূত্র: এ এক অন্য ইতিহাস, গোলাম আহমদ মোর্তজা, বিশ্ববঙ্গীয় প্রকাশন, কলকাতা)


বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের মতাদর্শ নির্ভর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা সম্পর্কে জানতে প্রয়োজন রবীন্দ্রনাথ কোন মতাদর্শের লোক ছিলো। কারণ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ করলে প্রতিবছর হাজার হাজার ছাত্র সিলেবাসের কারণে রবীন্দ্র মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে ‍উঠবে। তার মত করে সবকিছু করতে চাইবে। তাই আসুন সংক্ষেপে যেনে নেই রবীন্দ্রনাথ কোন মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলো:


১) কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আপাদমস্তক একজন সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি ছিলো। সে পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্টির প্রতি যেমনি ছিলো হিংসূটে তেমনি ছিলো মারমুখো! বঙ্গবঙ্গের বিরোধীতা করতে গিয়ে, বঙ্গভঙ্গ বিরোধীরা ১৯০৫ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত শুধু পশ্চিমবঙ্গে ৫ হাজারের মত সফল জনসভা করে। এসব জনসভায় হিন্দু নেতারা সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দিয়ে, জনগনকে স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত ও বিক্ষুব্ধ করে তুলে। প্রত্যেকটি বড় বড় জনসভায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বশরীরে উপস্থিত ছিলো; বক্তৃতা বিবৃতি দিয়েছে। হিন্দু মৌলবাদীদের ক্ষোভকে আরো চাঙ্গাকরতে, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগুনের মাঝে পেট্রোল ঢালার কাজটি করে। সে সমবেত জনতার জন্য কবিতা লিখে, “উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই, নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই”। সে এই কবিতা দাঙ্গাউম্মাদ মারমুখো হিন্দুদের জন্য উৎসর্গ করে। তারপর থেকে প্রতিটি সমাবেশ শুরুর প্রাক্ষালে এই কবিতা শুনিয়ে যুবকদের রক্তকে গরম করে দিত, যাতে হিন্দুদের মাথায় খুন ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় কলিকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ প্রান হারায়। যাদের মধ্যে ৯৮ শতাংশ তথা প্রায় ৪৭ হাজার নিহত মানুষ ছিল মুসলমান। উল্লেখ্য, বঙ্গভঙ্গ হলে হলে রবীন্দ্রনাথের মত জুমুমবাজ জমিদারদের খাজনা আদায় কমে যেতো। তাই কিছুতেই এ বঙ্গভঙ্গ মেনেনিতে পারেনি তারা। রবীন্দ্রনাথের মত চক্রান্তশীল হিন্দু জমিদারদের বিরোধীতার মুখে ব্রিটিশ শাসকরা বঙ্গভঙ্গ রদ করে। ফলে পিছিয়ে পরে পূর্ববঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশ।

২) বাংলাদেশের মুসলমানরা শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে এটা কখনই চাইতো না রবীন্দ্রনাথ। কারণ অশিক্ষিতি মানুষকে শোষণ করা সোজা। যার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোরতর বিরোধী ছিলো রবীন্দ্রনাথ। ঢাকাতে যাতে কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্টা হতে না পারে সেজন্য রবীন্দ্রনাথ আমরন অনশন ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করে। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদানীন্তন ভিসি  আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ মদদে পশ্চিমবঙ্গের কোন হিন্দু শিক্ষিত নেতা বাকি ছিলো না, যারা ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেনি। এই সমস্থ বুদ্ধিজীবি চিন্তাতেই সহ্য  করতে পারতো না, যে পূর্ব বঙ্গের মানুষ, যারা সংখ্যা গরিষ্টতায় মুসলিম তারাও শিক্ষিত হবে! পূর্ব বঙ্গের মুসলিম যাতে কোন ভাবেই শিক্ষিত হতে না পারে, তার যত উপায় অবলম্বন ছিল তার সবটাই তারা প্রয়োগ করেছিল। সেটা যত দৃষ্টিকটুই হোক, বাধা দিতে সামান্যতম কার্পন্য তারা করেনি।

৩)জমিদার হিসেবে এক চরমশ্রেণীর জুলুমবাজ ও নিপীড়ক ছিলো রবীন্দ্রনাথ। সব জমিদারা খাজনা আদায় করত একবার, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এ এলাকার কৃষকদের থেকে খাজনা আদায় করত দুইবার। একবার জমির খাজনা, দ্বিতীয়বার কালী পূজার সময় চাদার নামে খাজনা। যদিও রবীন্দ্রনাথ নিজেকে ব্রাক্ষ সমাজের অন্তভূক্ত বলে দাবি করত, কিন্তু উগ্রবাদী হিন্দুদের  থেকেও তার হিন্দুয়ানী কার্যক্রম কম ছিলো না।

৪) সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো  রবীন্দ্রনাথ ছিলো উগ্রভারতীয় জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। ভারতবর্ষব্যাপী শুধুমাত্র এক হিন্দু রাষ্ট্র থাকবে এই নীতিতে বিশ্বাসী ছিলো রীবন্দ্রনাথ। সে ছিলো কট্টর ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী। তার কবিতা-গল্পের স্থানে স্থানে সে কৌশলে মুসলমানদের চরিত্র হনন করতে চেয়েছে (এ লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন:  http://www.somewhereinblog.net/blog/sayeed_ovi/29936142)।
রবীন্দ্রনাথ ছিলো উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মারাঠা শিবাজীর একান্ত ভক্ত । রবীন্দ্রনাথ তার কবিতা শিবাজী উৎসবে বার বার প্রসংশা করে মারাঠা শিবাজীর। মুসলমানদের চরম শত্রু ডাকাত শিবাজীকে জাতীয় বীর উপাধি দিয়েছিলোরবীন্দ্রনাথ। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ভারতের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাভাষাকে নাকচ করে হিন্দীর পক্ষে মত দেয় সে। যার কারণে কারণে ভারতে জাতীয় কবির মার্যদা পায় রবীন্দ্রনাথ।


 ছবি: অখণ্ড হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলো শিবাজি

উপরের আলোচনা দেখে অনেকেই বলতে বলে উঠতে পারে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বানাতে গিয়ে তার অতীত ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করার কি প্রয়োজন থাকতে পারে?? তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ১ থেকে ৩ নং পয়েন্টের কোন গুরুত্ব নেই। কিন্তু ৪ নং পয়েন্টটি ফেলে দেবেন কোন যুক্তিতে। কারণ রবীন্দ্রনাথ ছিলো উগ্রভারতীয় জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। আর তার নামে ইউনিভার্সিটি খুলে তার মতাদর্শে ছাত্রদের দিক্ষীত করার মানে হচ্ছে বাংলদেশীদের কানে ধরে কট্টর ভারতপ্রেমী হিসেবে গড়ে তোলা। আর এ জন্যই ভারত সরকারের এত ইনভেস্টমেন্ট ও তাগাদা। তাই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মানে হচ্ছে প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশী ছাত্রকে মগজ ধোলাই করে উগ্রভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলা, যা ভারতীয় এজেন্ট তৈরীর কারখানার মত।

এ বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনের আদলে, কিন্তু শান্তিনিকেতনটা আসলে কি??

শান্তিনিকেতন হচ্ছে হিন্দুদের ব্রাহ্মসমাজের মন্দির, আশ্রম ও বিভিন্ন পূজার আখড়া।
যেখানে নিয়মিত হিন্দুদের সব উদ্ভট পূজা-পার্বন হয়, যেমন:

ধর্মচক্র প্রবর্তন
গান্ধী পুণ্যাহ
রবীন্দ্র সপ্তাহ
হলকর্ষণ উৎসব
বর্ষামঙ্গল
রাখীবন্ধন
শারদোৎসব
খ্রিষ্টোৎসব
মহর্ষি স্মরণ
পৌষ উৎসব
বসন্তোৎসব
বর্ষশেষ উৎসব

একটু চিন্তা করুন, ঐ এলাকাবাসী তাদের এলাকায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চাইতে পারে, কিন্তু শান্তিনিকেতনের আদলে চাইবে কেন?? সাধারণ মানুষ কি বুঝে শান্তি নিকেতন কি?
তার মানে হচ্ছে, ভারত চাইছে বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটির প্রাতিষ্ঠানিক আদলে এই সকল পূজা-পার্বন আখড়া হোক।


ভারতে মুসলমানদের বিশ্ববিদ্যালয় করতে গেলে কি সমস্যা হয়:
গত কয়েকবছর ধরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে একটি ইসলামীক ইউনিভার্সিটি তৈরীর চেষ্টা করছে কিছু ধনাঢ্য মুসলমান। এজন্য তারা জমি কিনে ৭ তলা ভবনের নির্মাণ কাজও শুরু করে।
কিন্তু এর মধ্যে বাধ সাথে হিন্দুরা তারা দেশজুড়ে এই ইসলামীক ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। তাদের দাবি হিন্দুদের জন্য পবিত্র(!) জায়গা তীরুপতি থেকে নাকি ঐ বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আর মন্দিরের এত কাছে (!) ইসলামী শরীয়ত নির্ভর একটি প্রতিষ্ঠান বানানো তারা মেনে নেবে না। আরেক দল দাবি করে বসে, ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থানটা নাকি এক সময় কোন এক মন্দিদের পুকুর হিসেবে ব্যবহৃত হতো(ছুতোর কোন অভাব নাই)।


ছবি: বামপাশে নির্মানাধিন ‘হিরা ইসলামীক ইউনিভার্সিটি’, ডানপাশে হিন্দুদের অপপ্রচারকারী একটি ছবি, যার মাধ্যমে যেখানো হচ্ছে এ ইউনিভার্সিটি হলে মুসলমানরা রাক্ষস হয়ে তাদের মন্দিরের উপর আক্রমণ চালাবে।

বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাত তৈরী করে বিজেপি, হিন্দু জাগরণী সমিতি (রবীন্দ্রনাথ যে শিবাজীর ভক্ত, এরাও তার অনুসারি) সবাই একযোগে সারা দেশে আন্দোলন ও অপপ্রচার চালিয়ে মুসলমানদের বিশ্ববিদ্যালয়টি ভাঙ্গার জন্য সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। সরকারও তাদের কথায় রাজি হয়ে মুসলমানদের এতকষ্টে বানানো ৭ তলা ভবনটির ৫টি তলা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেয়। এখনও হিন্দুরা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়টি সরিয়ে ফেলার জন্য আন্দোলন জারি রেখেছে।


ছবি: ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে হিন্দুরা

উল্লেখ্য, ভারতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী হচ্ছে মুসলমান, তারপরও তারা একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বানানো অনুমতি পায় না। সেখানে বাংলাদেশের মত  ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে ভারতীয় উগ্রহিন্দুত্ববাদ প্রচার করার সাহস পায় কিভাবে তারা??

আরো উল্লেখ্য, নদীগুলোতে বাধ দিয়ে বাংলাদেশকে মরুভূমি বানানো, বাংলাদেশকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা, বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করা, সীমান্তে মানুষ মারাসহ বিভিন্ন অপকর্মের কারণে বাংলাদেশের মানুষ ভারতের উপর চরমভাবে ক্ষেপে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এ ক্ষোভ সামাল দিতে প্রয়োজন বাংলাদেশের ভেতর প্রচুর ভারতপ্রেমী থাকা অাবশ্যক, যে কাজটা করা হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে।আর বাংলাদেশকে সিকিমের মত দখল করতে হলে এদেশে তাদের প্রচুর মগজ ধোলাইকৃত এজেন্ট থাকার বিকল্প নাই।

মূলত: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান আড়ালে ভারতের যে বিশাল এক চক্রান্ত লুকিয়ে আছে তা ভারতীয় ইনভেস্টমেন্ট ও তাগাদা দেখলেই বোঝা যায়।  দেখা যাবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রেণীতে থাকবে প্রচুর ভারতীয়, যারা শিক্ষকতার আড়ালে র’ এজেন্ট তৈরীর কারিগরও হিসেবেও কাজ করতে পারে।


তাই সিরাজগঞ্জসহ বাংলাদেশের প্রত্যেক কোনায় উচিত এ কথিত ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা, যেন অবিলম্বে রবীন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ বন্ধ করা হয়। হ্যা! আমরা অবশ্যই ঐ অঞ্চলে স্বাভাবিক সিলেবাসের ভিন্ন নামে বিশ্ববিদ্যালয় চাই, তবে রবীন্দ্রনাথের নামে ভারতীয় এজেন্ট তৈরীর কারখানা চাই না।




ষষ্ঠদশ নোট: নবী প্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত দেখান


আমার ষষ্ঠদশ নোট: নবী প্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত দেখান, রাহী-উল্লাসের পেছনের কুলাঙ্গারদের মৃত্যুদণ্ড চাই


আমার ১৬তম নোটের শুরুতে আমি মহান আল্লাহ’র প্রতি শুকরিয়া এবং উনার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি সালাম জানাচ্ছি এবং একই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ঐ সকল ভাইদের, যারা রাহী-উল্লাস নামক দুই কুলাঙ্গারের বিরুদ্ধে বহু কষ্ট করেছেন। আমি ঐ সকল ভাইদের নিশ্চিত সুসংবাদ দিচ্ছি, যারা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রেমে ডুবে আছেন উনার জন্য সামান্যতম কষ্ট স্বীকার করেছেন তারা অবশ্যই পরকালে শ্রেষ্ঠ জান্নাতের অধিকারী, এখানে দ্বিমত করার কোন অবকাশ নাই।
ঐ সকল ভাইদের নাম অবশ্যই ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে, যারা মেনে নিতে পারেননি নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র শানের সামান্যতম অপমান, মেনে নিতে পারেননি সবার সম্মানিত মাতা হযরত উম্মুল মু’মীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহাদের প্রতি সামান্যতম বেয়াদবি।
স্বাভাবিকভাবে নিজের মায়ের ইজ্জত নিয়ে কথা বললে আমি নিশ্চত কোন সন্তান তা সহ্য করবে না, কিন্তু সমস্ত মু’মীনদের যারা মাতা, উনাদের সম্পর্কে সামান্য তোহমদ কি মুসলিম জাতি পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব??
আমি জানি, নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার পরিবারের জন্য যদি কারো সামান্যতম প্রেম থাকে, কারো সামান্যতম ভালোবাসা থাকে তবে তার পক্ষে এ মানহানী মেনে নেয়া সম্ভব নয়। যদিও সে গুনাহগার হোক, ফাসেক হোক, তবুও তো মুসলমান, তবুও তো নবী প্রেমী। হাশরের ময়দানে এ জঘন্য কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের নবীজি অবশ্যই জড়িয়ে ধরবেন আদরের পরশে।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

গ্রেফতার হওয়া রাহী ও উল্লাস দাস ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করেছে, তার প্রমাণ পেয়েই মামলা করেছে পুলিশ। তবে রাহী ও উল্লাসের পেছনে কারা কাজ করছে, ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরকে চিহ্নিত করার দরকার আছে, তাদেরও গ্রেফতার করার দরকার আছে, অবশ্যই ঝুলানোর দরকার ফাসির কাষ্ঠে।


নুর নবী দুলাল


মূলত: রাহী-উল্লাস হচ্ছে ইসলাম বিদ্বেষী সংগঠন কথিত চট্টগ্রাম অনলাইন এক্টিভিস্ট’র চেলা-চামুণ্ডা। এদের পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টেলিফিল্ম নির্মাতা ‘নূর নবী দুলাল’। নূর নবী দুলালের আরেকটি বড় পরিচয়, সে  ইসলাম বিদ্বেষী ব্লগ সাইট নাগরিক ব্লগের মূল পরিচালনাকারী এডমিন। সে চট্টগ্রাম অনলাইন এক্টিভিস্ট নামক সংগঠনের সভাপতি। তার প্রত্যক্ষ মদদে গত কয়েকবছর ধরে নাগরিকব্লগে চরম ইসলামবিদ্বেষী কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এক্ষেত্রে সে নিজেকে আড়াল করতে নিজ নামে না লিখে অধীনস্থ ব্লগারদের দিয়ে ইসলাম ধর্মবিরুদ্ধ লেখা লিখিয়েছে বেশি। তবে নাগরিকব্লগে তার নেতৃত্বে অন্যদের ইসলাম বিরোধী উস্কানিমূলক লেখায় তার উৎসাহসূচক মন্তব্যগুলো প্রমাণ করে ব্লগপরিচালক হিসেবে এসব কিছুর দায়ভার তারই।


এই ব্লগের ব্লগাররাই এডমিন নূর নবী দুলালের নেতৃত্বে ইসলামবিদ্বেষী ব্লগারদের বিরুদ্ধে রিট জারির পর হাইকোর্ট অবমাননা করে সবচেয়ে বেশি পোস্ট দিয়েছিল। যার শিরোনাম “আসুন আদালত অবমাননা করি”।

নূর নবী দুলালের সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল ডাউনলোড করুন:  http://www.2shared.com/document/jwwEKJr4/nurnabi_dulal_ok.html

নাগরিক ব্লগের ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম ডাউনলোড করুন : http://www.2shared.com/document/DKklOSCj/NAGORIK__1_.html

রাহী-উল্লাসের মুক্তি চেয়ে ফেবুতে পোস্ট দিচ্ছে দুলাল:


সূত্র: https://www.facebook.com/nur.dulal/posts/10201781054156087?stream_ref=10

(২)

সুমিত চৌধুরী 



সুমিত চৌধুরী এমন এক ব্লগার, যে রাজনীতির দোহাই দিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী মতবাদ প্রচারে নিয়োজিত। সে চট্টগ্রাম অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরামের সাধারন সম্পাদক। এসব নামধারী ব্লগারদের মান সম্পন্ন লেখার কোন রকম যোগ্যতা না থাকার পরেও রাজনৈতিক লেবেল ব্যবহার করে একপ্রকার গায়ের জোরে ব্লগে এবং অনলাইন এক্টিভিষ্টদের গ্রুপগুলোতে ব্যাপক আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে। লেখার যোগ্যতা না থাকায় ব্লগে ইসলামবিদ্বেষসর্বস্ব কার্যক্রম পরিচালনা করাই এদের একমাত্র ব্রত। রাজনৈতিক লেবেল গায়ে নিয়ে সে ২০১২ সালে চট্টগ্রাম কোতয়ালী থানার দূর্গা পূজা কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছে। আন্দরকিল্লার পান্থজন নামক একটি ছাত্র উন্নয়ন সংগঠনের সাথে সে জরিত।  
--------------------

---------------------------------
সুমিত চৌধুরী রাহী-উল্লাসের হয়ে কোর্ট-জেলে দৌড়াদৌড়ি করছে। এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছে ইস্টিশন ব্লগে।
------------------------------

http://istishon.com/node/7510

সুমিত চৌধুরীর প্রোফাইল ডাউনলোড করুন: 
http://www.2shared.com/document/qEtB2YWS/shumith_chowdhury_ok.html


(৩)

সৈকত বড়ুয়া 

সৈকত বড়ুয়া ওরফে চিন্তিত সৈকত একজন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। চরম ইসলাম বিদ্বেষী ব্যঙ্গাত্মক ব্লগ সাইট “ধর্মকারীর” অন্যতম নিয়মিত লেখক এই চিন্তিত সৈকত। ‘ধর্মকারী’ ব্যতীত সে লেখালেখি করে ইসলাম বিদ্বেষী ‘নাগরিকব্লগ’ ও ‘আমারব্লগ’ সাইটে। কয়েক বছর পূর্বে রামুতে বৌদ্ধ মন্দির পোড়ানোর ঘটনার জের ধরে সে নাগরিকব্লগে চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করে কুরআন শরীফের উপরে নারীর পা রাখার ছবি পোষ্ট করে। (নাউযুবিল্লাহ)
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------

------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সৈকত বড়ুয়া তার নিজের পরিচয় গোপন করার যথেষ্ট চেষ্টা করলেও, সে চট্টগ্রামের অধিবাসী এবং চট্টগ্রাম অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরামের সক্রিয় সদস্য। যা তার ফেসবুক একাউন্টে একাধিকবার স্টাটাস দিয়ে উল্লেখ করেছিল। গত ২২ ডিসেম্বর ’২০১২ তারিখে চট্টগ্রামের অনলাইন এক্টিভিস্টরা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে পাকিস্তানে পাঠানোর বিরোধিতা করে যে মানব বন্ধন করেছিল, সেখানে সৈকত বড়ুয়া ওরফে চিন্তিত সৈকত গোরিলার মুখোশ ও পোষাক পরিধান করে নিজেকে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী উপস্থাপন করে উপস্থাপন করেছিল। যা তার নিজের ফেসবুক একাউন্টে সেই মানববন্ধনের ছবি আপলোড করে জানায়।    
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

সৈকত বড়ুয়ার প্রোফাইল ডাউনলোড করুন: http://www.2shared.com/document/I6UBT1GA/soikat_borua_ok__1_.html


এখানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, রাহী-উল্লাসের পেছনে থাকা নূর নবী দুলাল, সুমীত চৌধুরী কিংবা সৈকত বড়ুয়ারা তাদের থেকে বহু গুণে বড় অপরাধী। সুতরাং রাহী-উল্লাসকে ধরা হলে, এ কুলাঙ্গারদের কেন ধরা হবে না? এদেরকেও দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।
ভুলে গেলে চলবে না, সারা বিশ্বে ধর্মীয় অবমাননাকারীদের আইনগতভাবেই মৃত্যুদন্ড দেয়া হচ্ছে, কিছুদিন পূর্বের পাকিস্তানে এক ধর্ম অবমানকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো। তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না। বাংলাদেশকেও এ কুলাঙ্গারদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এর ব্যতিক্রম করার কোনই সুযোগ নাই। সমগ্র বিশ্বের সকল নবীপ্রেমী  অন্তরের এই একটাই দাবি।


মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০১৪

সউদী ক্ষমতাসীন ইহুদী পরিবার.!?




রোগ সারানোর জন্য আগে প্রয়োজন, কোন জীবাণুর দ্বারা রোগ হচ্ছে তা নির্ণয় করা। তেমনি গাজায় মুসলমানদের নিপীড়ন বন্ধ করার জন্য আগে প্রয়োজন কেন এবং কার স্বার্থে মুসলমানদের উপর নিপীড়ন হচ্ছে তা খুজে বের করা।

বলা হয়, সারা বিশ্ব নাকি ধনী ইহুদীরা নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু কঠিন হলেও সত্য, আর্থিক মন্দা ও ব্যাংকের সুদী ব্যবসার পতনের ফলে ইউরোপ আমেরিকার সেই ধনী ইহুদীদের পতন হয়ে গেছে। বর্তমানে তাদের মধ্য থেকে শুধু এক ইহুদী টিকে, আর সেই ইহুদীটা হচ্ছে সউদী ক্ষমতাসীন সউদ পরিবার।
এরাই কিছুদিন আগে মার্কিন গুন্ডাদের ভাড়া করে ইয়েমেনে সুন্নী মেরেছে, এরপর সিরিয়াতে হামলার জন্য টাকা দিয়েছে আর এখন ইসরাইলী গুন্ডাদের ভাড়া করে ফিলিস্তিনের মুসলমান মারছে।

বলতে পারেন, এই হামলা সউদী ইহুদীরা কেন করবে?? তাদের স্বার্থই বা কি??

সোজা উত্তর:

১) মার্কিন ও ইসরাইলি গুন্ডাদের মাধ্যমে ত্রাশ সৃষ্টি করা হচ্ছে,
২) মুসলমান মরলে স্উদী ইহুদীরা খুশি হয়,
৩) সউদী ইহুদীরা নেক্সট সুপার পাউয়ার হতে চায়।

যতদিন মুসলমানদের কেন্দ্রস্থল থেকে সউদী ইহুদীরা বিতাড়িত না হবে ততদিন মুসলমানদের শান্তি নাই।

সউদ পরিবার যে ইহুদী বংশদ্ভূত তার প্রমাণ: https://www.facebook.com/photo.php?fbid=382320131897433&set=pb.100003583482736.-2207520000.1406826978.&type=3&src=https%3A%2F%2Ffbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net%2Fhphotos-ak-prn2%2Ft1.0-9%2F1010046_382320131897433_13618858_n.jpg&size=468%2C400

Photo: রোগ সারানোর জন্য আগে প্রয়োজন, কোন জীবাণুর দ্বারা রোগ হচ্ছে তা নির্ণয় করা। তেমনি গাজায় মুসলমানদের নিপীড়ন বন্ধ করার জন্য আগে প্রয়োজন কেন এবং কার স্বার্থে মুসলমানদের উপর নিপীড়ন হচ্ছে তা খুজে বের করা।
  
বলা হয়, সারা বিশ্ব নাকি ধনী ইহুদীরা নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু কঠিন হলেও সত্য, আর্থিক মন্দা ও ব্যাংকের সুদী ব্যবসার পতনের ফলে ইউরোপ আমেরিকার সেই ধনী ইহুদীদের পতন হয়ে গেছে। বর্তমানে তাদের মধ্য থেকে শুধু এক ইহুদী টিকে, আর সেই ইহুদীটা হচ্ছে সউদী ক্ষমতাসীন সউদ পরিবার।
এরাই কিছুদিন আগে মার্কিন গুন্ডাদের ভাড়া করে ইয়েমেনে সুন্নী মেরেছে, এরপর সিরিয়াতে হামলার জন্য টাকা দিয়েছে আর এখন ইসরাইলী গুন্ডাদের ভাড়া করে ফিলিস্তিনের মুসলমান মারছে।

বলতে পারেন, এই হামলা সউদী ইহুদীরা কেন করবে?? তাদের স্বার্থই বা কি??

সোজা উত্তর:

১) মার্কিন ও ইসরাইলি গুন্ডাদের মাধ্যমে ত্রাশ সৃষ্টি করা হচ্ছে,
২) মুসলমান মরলে স্উদী ইহুদীরা খুশি হয়,
৩) সউদী ইহুদীরা নেক্সট সুপার পাউয়ার হতে চায়।

যতদিন মুসলমানদের কেন্দ্রস্থল থেকে সউদী ইহুদীরা বিতাড়িত না হবে ততদিন মুসলমানদের শান্তি নাই।

সউদ পরিবার যে ইহুদী বংশদ্ভূত তার প্রমাণ: https://www.facebook.com/photo.php?fbid=382320131897433&set=pb.100003583482736.-2207520000.1406826978.&type=3&src=https%3A%2F%2Ffbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net%2Fhphotos-ak-prn2%2Ft1.0-9%2F1010046_382320131897433_13618858_n.jpg&size=468%2C400











বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪

বর্তমানে মুসলমানদের দুরাবস্থার কারণ

বর্তমানে মুসলমানদের এত দুরাবস্থার কারণ যদি বের করতে চান তবে বের হবে মুসলিম নামধারী মুনাফিক। কাফির-মুশরিকরা কখনই মুসলমানদের সাথে সরাসরি যুদ্ধে পেরে উঠেনি তাই তারা মুসলমানদের মধ্যে মুনাফিক তৈরী করে ইসলাম ধ্বংস করেছে।
কাফির মুশরিকরা বহু ফিকির করে দেখেছে, মুসলমানদের ক্ষতি করতে সবার প্রথমে মুসলমানদের কেন্দ্রস্থল সৌদী আরবে বসাতে হবে একজন মুসলিম নামধারী মুনাফিক। তারা নামে শুধূ মুসলমান হবে, কিন্তু আক্বিদা চিন্তাধারা ও কার্যক্রম হবে কাফিরদের মতG
এজন্য আজ থেকে ৩শ’ বছর আগেই মুসলমানদের আক্বিদা ধ্বংস করতে মুসলমানদের মাথে লক্ষ লক্ষ গোয়েন্দা প্রেরণ করেছিলো তৎকালীল ব্রিটিশ সরকার। সেই লক্ষ লক্ষ গোয়েন্দা থেকে একটি মাত্র গোয়েন্দা চরম সাফল্যের মুখ দেখে। তার নাম ছিলো হেমপার। সে আব্দুল ওহাব নজদী নামক এক ব্যক্তির উপর প্রভাব খাটিয়ে ওহাবী আক্বিদা নামক চরম একটি বিভ্রান্তিকর আক্বিদা তৈরী করে (confessions of a british spy and the british enmity against islam এ বইটি পড়তে পারেন)। পরবর্তীকালে এই আক্বিদা পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য শাসকদের মধ্যে কাউকে দরকার হয়ে পরে। আজ থেকে ১০০ বছর আগে ব্রিটিশ সরকার আরবে আরেক গোয়েন্দা প্রেরণ করে যার নাম টি ই লরেন্স। এই ব্রিটিশ গোয়েন্দাই সউদ পরিবারের মত দস্যু পরিবারকে সউদী আরবের ক্ষমতায় নিয়ে আসে (টি ই লরেন্সকে নিয়ে দ্য লরেন্স অব অ্যারাবিয়া নামক এক সিনেমাও তৈরী হয়েছে) । সউদ পরিবাব ক্ষমতায় এসে জাজিরাতুল আরবের নাম পরিবর্তন করে তাদের পরিবারের নাম অনুসারে নাম রাখে সউদী আরব। এবং পৃষ্ঠপোষকতা শুরু করে সেই ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদের। ওহাবী সরকার আসার আগেও ১০০ বছর আগে মক্কা শরীফ মদীনা শরীফে সর্বত্র সুন্নী ইমামরা থাকত। কিন্তু ওহাবীপন্থী সরকার আসার পর তারা সব ধ্বংস করে দিলো। মুসলমানদের ঈমান নষ্ট করতে সব মসজিদে ওহাবী আক্বিদাভূক্ত ইমাম বসাতে লাগলো, সাহাবীগণের পবিত্র মাজারশরীফগুলো কথিত মাজার পূজার অজুহাত দেখিয়ে ধ্বংস করে দিলো। মক্কা শরীফ মদীনা শরীফে কাফিরদের প্রবেশ করালো। সারা পৃথিবীতে বাতিল ওহাবী মতবাদ ছড়াতে লক্ষ লক্ষ কোটি ডলার তারা সরবরাহ করতে থাকলো। কেউ হজ্জ করতে গেলে তার হাতে বিনামূল্যে ভ্রান্ত আক্বিদা বই ধরিয়ে দিতো। বিভিন্ন দেশে মসজিদ তৈরী করতে টাকা দিতো ঠিকই, কিন্তু ইমামাটা ওহাবী আকিদ্বাভূক্ত বসাতো। এভাবেই তারা সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আক্বিদা ধ্বংস করতে থাকলো।

এরপর সউদী সরকার তাদের বন্ধু আমেরিকার সাথে নতুন ফন্দি আটলো। একদিকে সউদী সরকার টাকা দিয়ে বিভিন্ন দেশে ওহাবী-সালাফি-লা
মাহযাবী জঙ্গি তৈরী করলো, অন্যদিকে আমেরিকা সেই জঙ্গি দমনের নামে সেই দেশ দখল করতে থাকলো। অর্থাৎ সউদী আরব টাকা মাধ্যমে আল কায়েদা, তালেবান, বোকো হারাম, আল শাবাব, লস্করই তইয়বা, আবু সায়াফ, নুসরা ফ্রন্ট, আইএসআইএল নামক বিভিন্ন ওহাবী-সালাফি সংগঠন তৈরী করলো, অন্যদিকে তার বন্ধু আমেরিকা ঐ দলগুলোর উছিলা দিয়ে বিভিন্ন দেশ আক্রমণের বৈধতা অর্জন করলো।
মূলত: ওহাবী-সালাফি-লা
মাহযাবী আক্বিদাগুলো হচ্ছে চরম বিভ্রান্ত আক্বিদা যা সৌদী পৃষ্ঠপোষকতায় ছড়ানো হয়। ওহাবী-সালাফি-লামাহযাবী বিভিন্ন লেকচাররারের নাম দিয়ে সেগুলো বাংলাদেশেও প্রচার করছে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে পিস টিভিতে জাকির নায়েক উক্ত ভ্রান্ত আক্বিদা প্রচার করছে। এছাড়া আজকে বিলাল ফিলিপস নামক এক আফ্রিকান ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চেয়েছিলো, কিন্তু তাকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সেও এই ভ্রান্ত আক্বিদার লেকচার দেয়। তাই খুব ভালো হয়েছে তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এই বাতিল আক্বিদার লোকগুলো আমাদের দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। এরা একদিকে ওহাবী-সালাফি-লা মাহযাবী আক্বিদা প্রবেশ করাবে, অন্যদিকে আমেরিকাকে বলবে আমাদের দেশ দখল করার জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের উচিত এই বাতিল আক্বিদাগোষ্ঠীকে বর্জন করা। কোনভাবেই যেন তারা বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তার না করতে পারে।
 
 
 
 
 


মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৪

থানভী ছিল ব্রিটিশ এজেন্ট: মাসিক ভাতা ৬০০ রুপিঃ!!!

দেওবন্দিদের গুরু আশরাফ আলী থানভী ছিল ব্রিটিশ এজেন্ট: মাসিক ভাতা ৬০০ রুপিঃ-
--------------------------------------------------------------
দেওবন্দ গুরু মাওলানা আশরাফ আলী থানভী ছিল ব্রিটিশ এজেন্ট। ব্রিটিশদের থেকে ঐ সময় সে মাসিক ৬০০ রুপি ভাতা গ্রহণ করত। উদ্দেশ্য এ অঞ্চলের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানদের ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভ উপশমের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা। উল্লেখ্য, ব্রিটিশদের হাত থেকে নিজ মাতৃভূমি মুক্ত করার জন্য ইংরেজদের সাথে বহু যুদ্ধে লিপ্ত হয় এ অঞ্চলের জনগণ। বিশেষ করে হযরত সাইয়্যিদ আহমেদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং উনার খলিফা হযরত তীতুমীর (সাইয়্যিদ মীর নেসার আলী) রহমতুল্লাহি আলাইহি ইংরেজদের সাথে ব্যাপক জিহাদ করেন। দুইজনই পৃথক যুদ্ধে ১৮৩১ সালে শহীদ হন। এরপর থেকে এ অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে ইংরেজ বিরোধী ক্ষোভ ক্রমেই বাড়তে থাকে। ১৮৫৭ সালে হয় সিপাহী বিদ্রোহ। ইংরেজরা সিপাহী বিদ্রোহ দমন করতে পারলেও তাদের দিন যে ফুরিয়ে এসেছে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। আর তাই এ অঞ্চলের জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে ইংরেজরা বেছে নেয় ভিন্ন কৌশল। যেহেতু এ অঞ্চলের অধিকাংশ জনগণ মুসলমান, সেহেতু ১৮৬৬ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দ এলাকায় কিছু মাওলানাকে একত্র মাদ্রাসার জায়গা দিয়ে দেয় ব্রিটিশরা। (এ মাদ্রাসার প্রথম প্রিন্সিপাল ছিল মাওলানা কাসিম নানুতুবী, যে প্রথম জীবনে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকলেও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এই মাদ্রাসাই বর্তমানে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত, ভারতে এরা কংগ্রেসের সাথে জোট বেঁধে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ নামে রাজনীতি করে)। উদ্দেশ্য ছিল সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু মাওলানাকে পোষা, যারা বিভ্রান্তিকর ফতওয়ার মাধ্যমে মুসলমান সমাজকে নিষ্ক্রিয় করে যাবে। এক্ষেত্রে দেওবন্দ ও তাদের সমগোত্রীয় মাওলানাদের নিয়মিত ভাতা প্রদান করত ব্রিটিশরা, এ ধর্মব্যবসায়ীরাই ব্রিটিশপক্ষ নিয়ে ফতওয়া দিয়ে মুসলমানদের ব্রিটিশদের সাথে যুদ্ধ থেকে ফিরিয়ে রাখত। আর এই এজেন্ট তৈরীতে ব্রিটিশদের পছন্দের শীর্ষ তালিকায় ছিল মাওলানা আশরাফ আলী থানভী। যার কারণে দেখা যায়, এই ক্ষূদ্র রেসালা লেখকই পরবর্তীতে প্রচার পায় বেশি, যদিও তার থেকে ঐ সময় আরো অনেক বড় বড় আলেম ভারতবর্ষে ছিল।
************
দেওবন্দী নিজস্ব ডকুমেন্ট “মুকালামুতুচ্ছাদারিয়ান” নামক বইয়ের ১০-১১ নং পাতায় আশরাফ আলী থানভীর ভাতা গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে। যেখানে দেখা যায়, মাওলানা সাব্বির আহমেদ আল দেওবন্দী (সভাপতি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, কলকাতা) মাওলানা হাফিজুর রহমানকে থানভীর ব্রিটিশ ভাতা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
বইয়ের স্ক্যান (বইয়ের নামসহ):---

শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৪

হেফাজত,দেওবন্দী আজ নিরব কেন?

বৃক্ষ তোমার নাম কি?ফলেই পরিচয়।মুসলমানদের ঈমানী মনে এবং শরীরে আঘাতকারীদের ব্যাপারে হেফাজত,দেওবন্দী আজ নিরব কেন?(মুখোশ উন্মোচন)

15 April 2014 at 23:28

আমার এই note যদি কারো মনে আঘাত লাগে আমি প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।কিন্তু
সময়ের প্রয়োজনে এবং বর্তমান অবস্থার প্ররিপেক্ষেতে কিছু কথা আজ উঠে আসছে।পুরো নোট পড়ে কমেন্ট করুন ।
 #রাহী ও উল্লাস ইস্যুঃ-- একজন মুসলিম নামধারী নাস্তিক, অপরজন হিন্দু এইচএসসি পরীক্ষার্থী চট্টগ্রাম কলেজের।বেশ কিছু দিন আগে Farabi Shafiur Rahman(ফারাবী) এর পোস্টে কমেন্ট বক্সে চরম ভাবে দ্বীন ইসলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের শান মুবারক নিয়ে অশ্লীল ভাবে গালাগাল ও নোংরা কমেন্ট করে।(https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10152384606473383&set=a.10151695039318383.1073741827.759503382&type=1&relevant_count=1)এবং(https://www.facebook.com/photo.php?fbid=732449193467145&set=a.480527251992675.122500.100001062146408&type=1&theater)।মুহূর্তের
মধ্যেই তা ফেসবুকের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ে।তারপর শোনা যায় ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম কলেজের কিছু ছেলে এবং এলাকাবাসী তাদেরকে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে(https://www.facebook.com/rajibkhaja.bd/photos/a.635759499809978.1073741825.476314729087790/724122404307020/?type=1) ।আসলে সে ছাত্রলীগ,ছাত্রদল,শিবির যেই হোক না কেন তার মধ্যে যদি বিন্দু পরিমাণ আল্লাহ ও উনার রাসুলের প্রতি বিন্দুমাত্র ভালবাসা থাকে তিনি এর প্রতিবাদ করবেনই (https://www.facebook.com/masrur.a.chowdhury/posts/10200797020728336?stream_ref=10),
কিছু সময় পর ইস্টিশনের ব্লগ গুলিতে রাহী ও উল্লাসের মুক্তির দাবীতে তারা ঝড় তোলে(http://www.istishon.com/node/7506)।চিন্তা করুন ৯৭% মুসলিমদের দেশে এইরকম ব্যাপার ঘটছে।চট্টগ্রামের হাটহাজারী কেন্দ্রিক দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদ্রাসা থেকে সারাদেশে হেফাজতে ইসলাম পরিচালিত হয়।আর এই মাদ্রাসার মহাপরিচালক হচ্ছেন আল্লামা শাহ আহমদ শফি।যিনি গত বছর  ৫ মে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি করেন , এদেশের ইতিহাসে সবথেকে বড় ইসলামী সমাবেশ ঘটান নাস্তিকদের বিরুদ্ধে এবং ১৩ দফা দাবি তুলে।নিঃসন্দেহে তা আমাদের সবার প্রানের দাবী ছিল।কিন্তু সময় পাল্টেছে, সে আন্দোলন থেকে আজ হেফাজত সরে এসেছে।চিন্তা করুন এত বড় একটি ঘটনা ঘটেছে হেফাজতের নিজের ঘর খোদ চট্টগ্রামেই কিন্তু হেফাজত সেদিন প্রতিবাদ জানাতে ঢাকাতে এসেছিল।আর আজ তাদের কি হল???আল্লামা শফির প্রধান ঘোষনাই ছিল " নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আমরণ লড়াই চলবে।আমরা জানি হয়তবা সেই আগের অবস্থা নেই, কিন্তু তারপরও একটি কথা অন্যায়ের প্রতিবাদ করার নির্দেশও হাদীসেই রয়েছে।এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- 'তোমাদের মধ্যে কেউ কোন গর্হিত কাজ হতে দেখলে সে যেন শক্তি থাকলে হাত দিয়ে  যদি এতে অক্ষম হও তবে মুখ দিয়ে প্রতিবাদ জানাবে। যদি তাতে অক্ষম হও তবে অন্তর দিয়ে তাকে ঘৃণা করবে, তবে এটি দুর্বল ঈমানের পরিচায়ক।” (সহীহ মুসলিম)।কিন্তু তেতো হলেও সত্যি যে হেফাজতে ইসলামের ওয়েবসাইটে এমনকি তাদের কোন ফেসবুক পেজেও এই রাহী ও উল্লাসকে  নিয়ে তারা টুঁশব্দটি করেনি , তারা যেন কিছুই জানে না কোন লিখা বা পোস্ট নেই !!!!! তারা আজ চুপ কেন??

ঘটে যাওয়া আরও অনেক ইসুঃ--কিছু দিন আগে পীযূষে ইসলাম বিদ্বেষী কবিতা পাঠ নিয়ে ফেটে পড়ে আলেম সমাজ(http://www.somewhereinblog.net/blog/pavel5900/29885016)কিন্তু আল্লামা শফি তথা হেফাজত  টু শব্দটি করল না!!!!!! সবাই জানে কিনা বলব না তবে সেই কবিতাটিতে ইসলামকে যেভাবে কটাক্ষ করা হয়েছে তা সত্যি বেদনাদায়ক।সবাই আশাতে বুক বেঁধে ছিল যে হেফাজত এর প্রতিবাদ করবেই।কিন্তু ফলাফল শূন্য ।
যে নাস্তিকদের জন্য সেদিনের ৫মে'র আন্দোলন ছিল তার অন্যতম আসামী আসিফ মহিঊদ্দিন ।যে কিছু দিন আগে জামিন নিয়ে দেশত্যাগ করেন, তার নাস্তিকতার লেখালেখি আরও সচল করার উদ্দেশ্যে।তার ফলশ্রুতিতেই সে কিছু দিনপরই পোস্ট করেন চরম ইসলাম বিদ্বেষী এক পোস্ট।https://www.facebook.com/notes/farabi-shafiur-rahman/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%86%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8/770544859625411    আমি যতদূর  জানি জামিনপ্রাপ্ত আসামী দেশত্যাগ করতে পারে না।কিন্তু হেফাজত তাকে বাঁধা দিল না । কিন্তু হেফাজত কিছুই করল না????
তারপরের কাহিনী রকমারি নামের একটি বুক হোমডেলিভারির প্রতিষ্ঠান যারা আরেক ইসলাম বিদ্বেষী অভিজিৎ এর বিশ্বাসের  ভাইরাস নামক বই সবার হাতে পৌছে দেবার দ্বায়িত্ব নেয়,তখন প্রায় একা ফারাবী  সেটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।উল্লেখ্য রাজীব ট্রাজেডির সময় ও এই ফারাবী ভাইয়ের পাশেও হেফাজত দাড়ায়নি,Farabi Shafiur Rahman(ফারাবী) হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি একা নাস্তিকদের বিপক্ষে জিহাদ ঘোষণা করেছেন, যাই হোক পরবর্তীতে রকমারি ইসলাম পন্থি এবং দেশের শান্তির কথা চিন্তা করে বইটি সরিয়ে ফেলে।তারপর লেজকাটা নাস্তিকের দল অনেক কার্যক্রম চালালেও তা কোন কাজে আসেনি। এখানেও একই , হেফাজত নিশ্চুপ।
যে ফারাবী নাস্তিকদের বিরুদ্ধে এতখানি লড়েছেন এবং লড়ছেন তারপাশে পর্যন্ত দারাল না হেফাজত প্রতিবাদ তো আরও পরের কথা।হেফাজত চলে গেছে শাপলা  চত্বর ছেড়ে তার অর্থ কি তাদের সকল কার্যক্রমও মনে হচ্ছে খতম , কিন্তু হায় নাস্তিকরা কিন্তু বসে নাই । তারা নিজেরা নিজেদের লেজ কেটেছে এবং সবার লেজ কেটেই চলেছে।উপরে যে উল্লাস রাহির কথা বলেছি  তারা কিন্তু  অভিজিৎ এবং আসিফেরই সাগরেদ,তারা কিন্তু এদেরকেই আদর্শ হিসেবে মানছে।https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10152384431288383&set=a.10151695039318383.1073741827.759503382&type=1&relevant_count=1।আমদেরকে দেখতে হবে উল্লাস ও রাহীর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে কে, তারা কিসের জন্য এত অনুপ্রানিত,https://www.facebook.com/notes/des-wa/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B7%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%A6%E0%A6%B6-%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%B2-%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0/481554095307369 সবার প্রশ্ন হেফাজতের দ্বারা কি সম্ভব হত না এদের পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছে তাদের শাস্তি দাবী করা এবং সরকারের  কাছে তা উপস্থাপন  করা। আল্লামা শফি উনি  এক্ষেত্রেও  কিছুই করেছেন কি???

যারা জার্মানি, আমেরিকা ,নরওয়ে প্রভৃতি দেশ থেকে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে তাদের  সকল আইডি বাংলাদেশে নট এভেইলেবল করে দিতে এবং এদেশে থেকে যারা এইরকম ইসলাম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে তাদের  ট্রাকিং এর মাধ্যমে গ্রেফতার করা হোক এই দাবী হেফাজত কেন আজ জানাচ্ছে না???নাস্তিকতার ক্রাল গ্রাস প্রতি মুহূর্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে।কিছু দিন আগেই লুক্স নামের জার্মান প্রবাসি নাস্তিক লিভ-টূগেদারের পক্ষে কথা বলেন এবং পোস্টে অনেকেই সহমত প্রকাশ করে।তিনি আবদার করেন বিয়ের কোন দরকার নেই। নাউজুবিল্লাহ। তার কথাতে উদ্ভুদ্ধ হয়ে আজ আমদের সমাজ ধংসের মুখেhttp://www.bd24live.com/992/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%9B/ ।এবং ফলশ্রুতিতে খোদায়ি গজবhttp://www.amadernabiganj.com/?p=3732 আর তাদের বিরুদ্ধে হেফাজত উপরোক্ত কোন পদক্ষেপই নিচ্ছে না।
বেশ কিছু দিন আগে রুপবান নামে জঘন্য এক সমকামী ম্যাগাজিন বের করে এক শ্রেণীর লোকজন। এই ম্যাগাজিনের মুলে সম্পাদক রাসেল আহমেদ।বছরখানেক আগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভায় এক সন্মেলনে বাংলাদেশে সমকামিতা বৈধ করার ঘোষনা দিয়েছিলেন।নাউযুবিল্লাহ ।কোরান শরীফে পরিস্কার উল্লেখ্য আছে সমকামীতার কারনে লুত অলাইহিসালামের কওম কে আল্লাহতায়ালা সম্পূর্ন রূপে ধ্বংস করে ছিল। কোথায় সফি হুজুর । তিনি কি জানেন না এগুলি দেখেন না।
নিশ্চুপ...।
১৩ দফা দাবীর মধ্যে অন্যতম ছিল নারী পুরুষের রাস্তা ঘাটে বেল্লাপনার বিরুদ্ধে ।টি২০ বিশ্বকাপ  শুরুর সাথে সাথে দেশজুড়ে শুরু হয় এক হুজুগ ফ্লাসমব।এমনকি হিজাব পরিহিতদেরকেও নাচতে দেখা দেছে অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ভাবে।আর স্টেডিয়ামের কথা নাই বললাম।ফলাফল একই নিশ্চুপংন্তা,এছাড়া অতি-সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হলীখেলাতে  মুসলিম মেয়েদের নগ্নতা।লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীত’ গাইতে গিয়ে  ছাত্রী যৌন হয়রানীর শিকারhttp://bdpress.net/home/index.php?page=description&news=1396109036
এবার আসি নববর্ষের নামে লুইচ্চা বৈশাখ নিএ।কিভাবে এই লুইচ্চা বৈশাখ পালন হল । কিভাবে নারী-পুরুষ ওপেনে জেনা করল
এমনকি রাজধানীতে সমকামীদের প্রথম প্রকাশ্য র‍্যালিও বের হয় এদিনে। কিছু চিত্র দেখতে ডেস ওয়া ভাইয়ের প্রোফাইলটি ঘুরে আসুন https://www.facebook.com/des.wa.71?fref=photo
আমরা সবাই জানি উনি গত৫মে'র আন্দোলনের পর এমন একটি অবস্থানে চলে গেছেন উনি কিছু বললেই তা দৈনিক পত্রপত্রিকাতে চলে আসে।অবাক হবার কথা হেফাজত  এ নিয়ে টু শব্দটি করেনি । একটা কথা আমরা খুব ভাল করেই জানি, নীরবতা ই সম্মতির লক্ষন , অর্থাৎ চুপ= সমর্থন ।
৫'ই মে এর পর আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে ,নাস্তিক হুমায়ন আজাদের ছেলে অনন্যা বলেছিল ''শুক্রবারের দিন মাইক নিষিদ্ধ করা উচিৎ" নাউজুবিল্লাহ।কোথায় আল্লামা সফি ?? কোথায় হেফাজত?ডিনতাদের ওয়েবসাইট http://www.darululum-hathazari.com/কিংবা ফেসবুক পেজেও এত বড় বিষয় গুলি নিয়ে একটি কথাও  হয়নি।তাহলে কি দারাচ্ছে মধু দিলে কাজে আছি না দিলে নাই ।http://www.ggn24.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0/
সেসময় কানাঘূসা  http://hardnews24.com/bn/?p=6710
৫ম'র ঐতিহাসিক জনসভাতে আল্লামা  শফি উনার কিছু কথা যা বিব্রত করেছে আমাদেরকেঃ--
১/মেয়ে মানুষ হল তেতুলের মত।
২/মেয়ে মানুষ দেখলে পুরুষদের মন থেকে লালা বের হয়।
৩/মেয়ে মানুষ দেখলে যার দিলের মধ্যে লালা ঝরে না তার ধ্বজভঙ্গ রোগ আচ্ছে।
৪/মেয়ে মানুষ কেন স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় হাবে তারা বাসাতে থাকবে।
৫/মানুষের ৫ম শ্রেণীর পর লেখা পড়া করবার প্রয়োজন নেই।
চাইলে দেখে নিতে পারেনঃhttp://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=i1kw7yOZMFs
বাবুনগরীর তালত ভাইয়ের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিয়োগ!!!! http://www.suprobhat.com/?p=40964
কিন্তু কিছু দিন আগে হেফাজত আমীরের প্রেস সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ মার্কিন দূতাবাসের ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর সঙ্গে আড়াই ঘন্টা বৈঠক করেন পর্দা ছাড়া (নাস্তিকরা খোঁটা দিয়ে বলেছে তারা নাকি তেতুল দেখে লালা ঝরিয়েছে ,অনেক ইসলামী চিন্তাবিদ বলেছেন এখানে পা দেয়া ঠিক হবে না, এটা আমেরিকার চাল ।)
http://www.timenewsbd.com/news/detail/4740
প্রথম আলোতে দেখলাম গত শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত দুই দিনব্যাপী শানে রিসালত সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে শাহ আহমদ শফী প্রধান অতিথির বক্তব্যে  বলেন "‘হাসিনা সরকার, আওয়ামী লীগ বলেন আর ছাত্রলীগ বলেন, সবাই আমাদের বন্ধু। এদের সাথে কোনো আদাওয়াত (শত্রুতা) নাই। কেউ যদি বলে, হাসিনা সরকার, ছাত্রলীগ আমাদের দুশমন, এটা আপনাদের বুঝাটা ভুল হবে। এদের কাউকে কোনো দিন আমি গাল দেই নাই।’"'বর্তমান সরকার আওয়ামীলীগ আমাদের বন্ধু:আল্লামা শফী-http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/190693/%E0%Ahttp://www.truenewsbd.com/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97/6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87_%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87
সবার মেমরি কি এতই ঢিলা,??? আপনি ৫'ই মে তে নাস্তিকবাদী সরকার হটাতে এসেছিলেন , কত আল্লাহ প্রেমী সেদিন শহীদ হয়েছিলেন ,আর আজ এই কথা বলছেন।আসুন দেখে নেই একটি ভিডিওhttps://www.youtube.com/watch?v=KWNywfIwihc ইউটিউবে প্রচুর আছে।দুটি চ্যানেল বন্ধ হয়ে গেল বন্ধ হল কয়েকটি পত্রিকা,হেফাজতের কর্মীদের মৃত্যুর খবর প্রচার করতে গিয়ে। তা এই কথার জন্য সাথে সাথে এই কথার পুরস্কার http://www.suprobhat.com/?p=145599 আমি যে কথাটা এখন বলব তার আগে কিছু নিউজ পড়ে আসুন , প্লিজ বাপ-বেটার পকেটে বন্দি হেফাজত!http://mzamin.com/details.php?mzamin=MTE0MzE=&s=Mg==
আরো কিছু খবর ...... (যাদের প্রথম আলো নিয়ে সন্দেহ আছে তাই অন্য পত্রিকার লিংক)
১/http://www.pipilika.com/site_ajax_calls/show_details/1141227/bn/new_window
২/http://dhakanews24.com/?p=166790
&
http://www.bijoynews24.com/2013/05/10/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%9B/
৩/http://ukbdnews.com/country/5247-2013-05-08-21-47-20.html
৪/সদালাপের এই লিখাটা http://www.shodalap.org/nirob-shakkhi/19103/
৫/http://rnews24.com/politics/2013/04/19/2100
৬/http://bbarta24.com/news/category/national/detail/56রা
তাহল কি দাঁড়াল , নুন খাই যার গুন গাই তার। আগে ছিলাম জামাত বন্ধু , এখন আওয়ামীলিগ আমার বন্ধু।
এছাড়া যে সকল বিষয় নিয়ে হেফাজতে ইসলাম মাথা ঘামায় না ....
১. বাংলাদেশ এর মদের বার নিয়ে।
২. বাংলাদেশের যৌন ব‍্যাবসা নিয়ে।
৩. চলচিত্রে এর অশ্লীল ছবি নিয়ে।
৪. পপি চাষ নিয়ে [ পপি ফুল থেকেই হেরোইন তৈরি হয় ],গাজা চাষ নিয়ে।
৫. নারী পুরুষের রাস্তাঘাটে বেল্লাপনা করলরলে।
৬.অশ্লীল,চটি বই বিক্রি করলে।
৭. বাঁশের কেল্লার মিথ‍্যা edit করা অশ্লীল ছবি দেখলে। কিংবা চাঁদে, সাঈদীর ছবি দেখলে।
এত বিতর্কিত হল কেন হেফাজত , আমরা কি এই চেয়েছিলাম ??????
বলা বাহুল্য হেফাজতের হেড কোয়াটার হল ভারতের দেওবন্দ যারা বহু আগে থেকেই বিতর্কিত।

দেওবন্দদের কিছু কথাঃ
সম্মানিত পাঠকগন এবার আসুন আমরা দেখি হিন্দু মুশরিকদের সাথে দেওবন্দী দের কত পীরিতের সম্পর্ক।
এ সম্পর্ক রক্ষা করতে তারা আল্লাহ পাকের সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করতেও প্রস্তুত ।

আল্লাহ পাক ইরশাম মুবারক করেন--
" তোমরা তোমাদের সবচাইতে বড় শত্রু হিসাবে পাবে ইহুদী অতপর মুশরিকদের "!
[ সূরা মায়িদা ৮২]
মুশরিক তথা হিন্দুদেরকে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন আল্লাহ পাক।
অথচ দেওবন্দী দের আমলটা দেখেন.... আল্লাহ পাক উনার আদেশ অমান্য করে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করাটাই তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।
প্রমান --------->>>>

→মহান আল্লাহ তায়ালা হিন্দুদের কাফিরা বললেও দেওবন্দরা তাদের কাফির বলতে নারাজ।
আল্লহ পাক ইরশাদ করেন--
"নিশ্চয়ই সমস্ত প্রানীর মাঝে আল্লাহ পাক উনার নিকট কাফিররাই সবচেয়ে বেশি নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনে নাই।"
[ সূরা আনফাল ৫৫]
→অথচ দেওবন্দ থেকে ফতোয়া দেয়া হয় হিন্দুদের কাফির বলা যাবে না।
দেওবন্দী দের কাছে প্রশ্ন তবে কি হিন্দুরা ঈমানদার ??
হিন্দুদের কাফের বলা যাবে না এই ফতওয়া কিন্তু দেওবন্দীরা কোন কুরআন হাদীস ঘেটে দেয়নি, দিয়েছে হিন্দু উগ্রবাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা সন্ত্রাসী অশোক সিংহোলের অনুরোধে এবং হিন্দুদের খুশি করতে।
তথ্যসূত্র-->
http://timesofindia.indiatimes.com/india/Hindus-cant-be-dubbed-kafir-says-Jamiat/articleshow/4179187.cms?intenttarget=no

→আপনারা সবাই জানেন "বন্দে মাতরম" হিন্দুদের দেবতাদের প্রশংসা বানী। এবং এর বিরুদ্ধে দেওবন্দ ২০০৬ সালে ফতওয়া দিয়েছিল তাও সঠিক। এই ফতওয়ার পক্ষে ২০০৯ সালের ৩রা নভেম্বর জমিয়ত থেকে পুনরায় বলা হয়, এতে ইসলাম বিরোধী বক্তব্য আছে তাই তা পাঠ করা যাবে না। কিন্তু এর মাত্র ৬ দিনের মাথায় দেওবন্দ মাদ্রাসায় যায় হিন্দু ঠাকুর রবি শঙ্কর। সে গিয়ে মাওলানা মারগুব, প্রধান মুফতি হাবীবুর রহমান, মুফতি ইহসান কাশেমীর সাথে ১ ঘন্টা মিটিং করে। এই মিটিং এর পর দেওবন্দ তার অবস্থান থেকে সরে আসে, এবং বলে, “বন্দে মাতরমের উপর তাদের আর কোন বিধি নিষেধ নেই।
হা হা হা...
হিন্দুদের খুশি করার জন্য ৬ দিনের মধ্যে বন্দে মাতরম হারাম থেকে হালাল হয়ে গেল।
তথ্যসূত্র:----->
http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-11-10/india/28110421_1_fatwa-department-darul-uloom-maulana-abdul-khalik-madrasi 
→ হিন্দুদের ধর্মীয় গ্রন্থ হচ্ছে গীতা। রাশিয়ায় যখন গীতাকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিলে এর প্রতিবাদ করে উঠলো দেওবন্দীরা।

তথ্যসূত্র :
http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2011-12-22/india/30546086_1_darul-uloom-deoband-hindus-muslims 
হে মুসলমান সমাজ দেখুন,কিন্তু রাশিয়া যখন পবিত্র কুরআন নিষিদ্ধ করলো তখন মুখ দিয়ে টু শব্দটাও করলো না দেওবন্দীরা।

তথ্যসূত্র--
http://www.theguardian.com/books/booksblog/2013/oct/08/russian-court-bans-quran-translation 
দেওবন্দীরা কাদের বন্ধু? হিন্দুদের নাকি মুসলমান দের???

→ ভারতে গরু কুরবানী আইন-২০০৪ অনুসারে একজন মুসলমান গরু কুরবানী করলে তার সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে, একই সাথে ১০ হাজার রুপি জরিমানা হবে। এটা অবশ্যই মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং মুসলমাদের উপর ভারত হিন্দু সরকারের জুলুম। কিন্তু এখানে দেওবন্দরা এর প্রতিবাদ করতে পারত, কিংবা সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে তারা চুপ থাকত। কারণ হাদীস শরীফ অনুসারে ঈমানের স্তর তিনটি: ১) অন্যায় দেখলে হাতে বাধা দেয়া, দুই মুখে বাধা দেয়া, তিন খারাপ জেনে সরে আসা। এরপর ঈমানের আর কোন স্তর নেই। কিন্তু দেখা গেলো তারা হিন্দুদের সাথে একত্বতা প্রকাশ করে ফতওয়া দিলো: “গরু কুরবানী করা নাজায়িজ”।
তথ্যসূত্র--
http://timesofindia.indiatimes.com/india/Eating-beef-is-un-Islamic-if-there-is-ban/articleshow/2986846.cms?intenttarget=no 

তারা আরো বলল: হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে আপনারা গরু কুরবানী করবেন না।
তথ্যসূত্র--

http://www.thehindu.com/news/national/article2603964.ece 
বলাবাহুল্য হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি সংরক্ষণের দায়িত্ব হিন্দুদের এবং মুসলমানদেরটা সংরক্ষণের দায়িত্ব মুসলমানের।
কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেই গান্ধীর আমল থেকে হিন্দু গান্ধীর অনুরোধে দেওবন্দরা গরু কুরবানী করতে নিষেধ করে আসছে।
তথ্যসূত্র--

http://khabar.ibnlive.in.com/news/109892/13 তাহলে তারা কি হিন্দুর অনুরোধে মুসলমানিত্ব বাদ দিয়ে হিন্দু হয়ে গেছে??
উল্লেখ্য ২০১১, ২০১০, ২০০৮, ২০০৭, ২০০৪ সালে তারা সরাসরি গরু কুরবানী করতে বিরোধীতা তার প্রমাণও মিডিয়াতে আছে।
তথ্যসূত্র--
https://www.facebook.com/rajdarbaar/posts/648405118538220 কি জবাব দিবেন ??
→ দেওবন্দী দের সকল বার্ষিক সভার প্রধান অতিথী হয় কে জানেন ????
উত্তর: হিন্দুরা।
দারুল উলুম দেওবন্দের ২৯ তম বার্ষিক সভার প্রধান অতিধি হয় মুসলিম বিদ্বেষী রবি শঙ্কর।
তথ্যসূত্র--

http://www.youtube.com/watch?v=cYm4sUmvmtw ৩০ তম সভার প্রধান অতিধি হয় ঠাকুর রামদেব

তথ্যসূত্র

http://www.youtube.com/watch?v=rCjhoCN3bRA
→ তসলিমা নাসরিন এই নামটা সবাই জানেন। কতবড় নাস্তিক এই মেয়ে লোকটা সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না । দুনিয়ায় বসবাসকারী একজন সাধারণ একজন মানুষও তার মৃত্যুদন্ড কামনা করে। অথচ দেওবন্দীরা তসলিমা নাসরিনের পক্ষে.....
২০০৭ সালের কথা, তসলিমা নাসরিন বিতর্কিত বই ‘দিখণ্ডিত’ নিয়ে যখন কলকাতার মুসলমানরা সরব, তাকে যেন কলকাতায় স্থান না দেওয়া হয় যে জন্য চলছে তুমুল আন্দোলন। ঠিক তখন এই দেওবন্দ মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো। তসলিমার পক্ষে ফতওয়া দিল। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ নেতা মৌলানা মেহমুদ মাদানি বলেছিল, "পবিত্র ইসলামেই আছে, কোন ব্যক্তি ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই উচিত। তসলিমা যখন ক্ষমা চেয়েছেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই ঠিক কাজ হবে। তিনি যেখানে থাকতে চান, সেখানেই তাকে থাকতে দেওয়া হোক।"
সত্যি অবাক বিষয় । তসলিমা ক্ষমা চাইল কবে ??????????
সে তো এখন ইসলামের বিরুদ্ধে বলছে। আর নবীজি সম্পর্কে কটূক্তি করায় সে সময় মুরতাদ তসলিমাকে হত্যার ঘোষণা দিয়েছিল এক আলেম (মুরতাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড)। কিন্তু সেই আলেম এর বিরুদ্ধে উল্টো ফতওয়া দিলেছিল দেওবন্দী জালেমরা। সে সময় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের মুখপাত্র কাকি সফিউদ্দিন বলেছিল, “কারও মুন্ডু চাওয়া বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া ইসলামবিরোধী। যদি কেউ এমন দাবি করে থাকেন, প্রমাণ পেলে তাদের বহিস্কার করা হবে।” মুরতাদ তসলিমার পক্ষে সাফাই গায়ে দেওবন্দীরা কি নাস্তিক প্রমানিত হলো না??
তথ্যসূত্র--
http://ns.bdnews24.com/bangla/details.php?id=69508&cid=21 
→ মুসলমানদের মসজিদ বাবরী মসজিদ, এই মসজিদকে অন্যায়ভাবে ভাঙল হিন্দু সন্ত্রাসীরা। সাথে সারা ভারত জুড়ে মারলো লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে। হিন্দুদের দাবি: তাদের কল্পকাহিনী রামায়নের মতে বাবরী মসজিদ নাকি রামের জন্মস্থান। এলাহাবাদের সাম্প্রদায়িক হাইকোর্টও রায় দিলো: বাবরি মসজিদের যায়গার তিন ভাগের মাত্র একভাগ পাবে মুসলমানরা, দুই ভাগ পাবে অন্যরা। বলাবাহুল্য এ রায়ের পর মুসলমানদের প্রতিবাদ করা ফরজ হয়ে পড়ে। কিন্তু দেওবন্দরা প্রতিবাদতো করলোই না, উল্টো বললো: “মুসলমানদের এই রায় শ্রদ্ধার সাথে মেনে নেয়া উচিত।

তথ্যসূত্র--

http://www.indianexpress.com/news/respect-ayodhya-verdict-darul-uloom-deoband/682444

→ কুখ্যাত কসাই, লক্ষ লক্ষ মুসলমান দের রক্তে যার হাত রঞ্জিত সেই নরেন্দ্র মোদীর সাফাই গাইলো দেওবন্দীরা।
নরখাদক নরেন্দ্র মোদির পক্ষ নিয়েছিল এ দেওবন্দীরা। তারা গুজরাটে মুসলমানদের উপর হিন্দুদের নৃশংস আচরণকে ভুলে যেতে বলে ভারতীয় মুসলমানদের।
নাউযুবিল্লাহ !

তথ্যসূত্র--

http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2011-01-19/india/28371112_1_gujarat-riots-riot-victims-maulana-ghulam-mohammed-vastanvi ।ভারতীয় দেওবন্দীদের একজন প্রধান নেতা, হুসেন মদনির নাতি আরশাদ মদনি
 নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত গাড়িতে চড়ছে http://www.youtube.com/watch?v=3yYVAKi-daE
শুধুতাই নয়, এ বক্তব্যের পর মুসলমানদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে দেওবন্দে ভিসিকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

→যে ইন্ডিয়াতে মুসলমানদের পাইকারী ভাবে হত্যা করা হয়, মুসলমানদের আজান দিতে বাধা দেয়া হয়, কুরবানি দিতে বাধা দেয়া হয়, গুজরাটে পাইকারী ভাবে মুসলমান দের শহীদ করা হয়, আহমদনগরে পাইকারী হারে শহীদ করা হয়, সেখানে জিহাদের ডাক না দিয়ে সেই ইন্ডিয়াকে দারুল আমান ঘোষনা করেছে দেওবন্দীরা। অর্থাৎ এখানে জিহাদের কোন প্রয়োজন নেই।

তথ্যসূত্র--
http://www.hindustantimes.com/India-news/No-jihad-in-India-says-Darul-Uloom-Deoband/Article1-382288.aspx হে মুসলমান সমাজ !!
দেওবন্দীদের জঘন্য আক্বীদা দেখুন মূল উর্দু কিতাব থেকে
http://aakhirikhtilaafkyun.blogspot.co.uk/ আব্দুল ওহাব নজদি এর লেখা এরাবিক কিতাব( কিতাবুত তৌহিদ ) এর উর্দু( তাকবিয়াতুল ইমান ) লিখেন শাহ ইসমাইল দেহলবী ও বর্তমান হেফাজাত ও দেওবন্দ এর প্রতিষ্টাতা জন্ম দাতা ওহাবির আমদানি কারক ৷ তিনি সেই কিতাব এ অনেক কুফরী ও গুস্তাকি করেছেন নবী পাক সাল্লেলাহু আলাইহে সালাম ও অলি আওলিয়া দের সান এ ৷ কিছু তুলে ধরা হল ৷১ ৷ আম্বিয়া ও আউলিয়া দের মধ্যে জীন ও সয়্তান এর মধ্যে ভুত ও পরীর মদ্ধে কোন পার্থক্য নাই ৷page no 6 ২৷ এই বিষয় ছোট বর সকল আল্লাহ পাক এর কাছে এক সমান , পেজ নং ৭ 3 ছোট বড় সকল সৃস্টি আল্লাহ পাক এর সান এর কাছে চামার অপেক্ষা নিকৃষ্ট ৷ পেজ নং১১ ৪ ৷ কোন নবী অলি জীন ফেরশতা পীর শহিদ ঈমাম ঈমানদার কে আল্লাহ সাহেব এই ক্ষমতা দান করেন নাই ৷এখন আমার কথা হচ্ছে যে এখন যদি বলা হয় আপনার বাবা ও সয়্তান এক সমান ৷ আপনাকে কেমন লাগবে ? আল্লাহ পাক আমাদের নবী কে কেমন ইজ্জাত দিয়েছেন তা কে না জানে ? আর সে কি বলে আল্লাহর সান এর কাছে সবাই চামার এর চেয়ে নিকৃস্ট ৷ আর কি বলেছে যে জীন ভুত নবী অলি সয়্তান দের মধ্যে কোন পার্থকু নাই. তো এমন আকিদা অবলা দের কে কি বলা যাবে ?দেওবন্দী ওলামা শাহ ইসমাইল এর কিতাব (তাকবিয়াতুল ইমান) এর প্রতি গান্গুহী সাহেব এর পূর্ণ আস্থা ছিল সত্য ইসলাম এটাই বলে আর গান্গুহির মুরিদ আলী হুসাইন আলী হুসাইন সেটার প্রতি ইমান আনার কারনে এতটাই কাবিল হয়েছিলেন যে তিনি একবার সপ্নে দেখলেন নবী পাক সল্লেল্লাহু আলায়হে সালাম কে যে আলী হুসাইন এর হাত ধরে পুলসিরাত পার করতে ছিলেন ৷ এমন সময় নবী পাক সাল্লেলাহু আলায়হে সালাম পুল সিরাত এর উপর থেকে পরে যেতে ধরলে আলী হুসাইন নবী পাক সাল্লেলাহু আলায়হে সালাম কে রক্ষা করিলেন এখন আমার কথা হছে যে আমাদের নবী সকল উম্মত এ মোহাম্মদী এর জিম্মাদার তিনিই আমাদের ভরসা কিয়ামত এর দিন ৷ সেই নবী কে দেওবন্দী ওলামার মুরিদ রাই পুলসিরাত থেকে পরে যাওব থেকে রক্ষা করেন এখন তাদের কাবিল্পান ও ঈমানী জোর কত বেশি একটু জানাবেন কেউ plsদেওবনদি দের ওলামা খলিল আহমাদ তার কিতাব (বারাহিনে কাতেয়া ) এর ২৬ নং পেজ এ লিখেছেন যে একজন লোক সপ্নে নবী পাক সল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম কে দেখতে পান আর তিনি উর্দু তে কথা বলছেন ৷ লোকটা নবী পাক জিগ্গেস করলেন আপনি উর্দু কিভাবে বলতে পারেন ? আপনি তো একজন এরাবিক !!!!তো নবী পাক বললেন যে যখন থেকে দেওবন্দ মাদ্রাসা এর সাথে আমার সম্পর্ক হয়ছে তখন থেকে উর্দু ভাষা আমার আয়ত্তধিন হয়ছে৷এখন আমার কথা হছে যে তারা কত বড় বেআদব যে নবী পাক নামে ও মিথা কথা জুড়ে দিয়েছে নিজের মাদ্রাসার নাম উচা করার জন্য ৷আগের সময়কার মুসলিম দের কথা কি নবী পাক বুঝত না ?আমরা বাঙালি ৷ আমাদের কথা কি নবী বোঝেন না?দুনিয়া তে কত ভাষা আছে !!!!!! নবী পাক কি বোঝেন না?তাদের কে ও কি দেওবনদ মাদরাসা বানাতে হবে নবী পাক কে তাদের ভাষা বোঝানোর জন্য?
নবীজি সম্পর্কে কটূক্তি করায় সে সময় মুরতাদ তসলিমাকে হত্যার ঘোষণা দিয়েছিল এক আলেম (মুরতাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড)। কিন্তু সেই আলেম এর বিরুদ্ধে উল্টো ফতওয়া দিলেছিল দেওবন্দী জালেমরা। সে সময় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের মুখপাত্র কাকি সফিউদ্দিন বলেছিল, “কারও মুন্ডু চাওয়া বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া ইসলামবিরোধী। যদি কেউ এমন দাবি করে থাকেন, প্রমাণ পেলে তাদের বহিস্কার করা হবে।” মুরতাদ তসলিমার পক্ষে সাফাই গাওয়ার অধিকার দেওবন্দীদের কে দিল??? (http://ns.bdnews24.com/bangla/details.php?id=69508&cid=21)
ইয়োগা যে হিন্দুদের খাটি ধর্মীয় অনুসঙ্গ তা বুঝতে আশাকরি কারো কোন সমস্যা নেই। https://bn.wikipedia.org/wiki/যোগ_(হিন্দুধর্ম) তবে সমস্যা সেখানে নয়, সমস্যা অন্যখানে, তা হলো ইসলাম ধর্মে ইয়োগা জায়েজ রয়েছে এই ফতওয়া দেয়া। (নাউযুবিল্লাহ) এবং একই সাথে হিন্দুদের কথিত ইয়োগা বাবার থেকে কয়েক হাজার দেওবন্দীর ইয়োগা তালিম নেয়া।ইয়োগা সম্পর্কে দেওবন্দের ফতওয়ার ইউটিউব লিঙ্ক: http://www.youtube.com/watch?v=rCjhoCN3bRA http://www.youtube.com/watch?v=3-TpPPFDJQYদেখুন আরেক মদন দেওবন্দী ইয়োগার প্রশংসা করতে গিয়ে তাকে নামাজের সাথে তুলনা করে বসেছে: http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-01-29/delhi/28043824_1_national-fatwa-council-yoga-offering-namaz
মজার ব্যপার দেখুন!!ভারতবর্ষে দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কাসিম নানুতুবি সাহেবের বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়েছিল স্বয়ং দেওবন্দীরাই। অবিশাস্য মনে হচ্ছে? প্রমাণ দেখুন স্ক্যান কপিসহhttp://en.islamieducation.com/.../takfir-fatwa-on-qasim..
দেওবন্দীদের স্ক্যান্ডাল ধরা পড়ল তাদের বইতেই। তাদের অনেকেই ছিল সমকামী। স্ক্যান কপিসহ দেখুনhttp://en.islamieducation.com/.../scandal-in-deoband-don
দেওবন্দী/তাবলীগিদের হেকীমুল উম্মত বা কবিরাজ আশরাফ আলী থানবী পূর্বেই অনুমান করতে পেরেছিলো যে, তার সকল অনুসারীরা সমকামী/লুইচ্চামীর জন্য ধ্বজভঙ্গ হবে। আর সেকারনে থানবী তার যৌনচিকিৎসা মূলক বই "বেহেশতী জেওরে" কিছু যৌন চিকিৎসা বর্ননা করে গিয়েছে।আশরাফ আলী থানভী তার বেহেস্থী জেওর বইয়ের মধ্যে যৌন চিকিৎসা সম্পর্কিত অনেক গুলা পয়েন্ট উল্লেখ করেছে। তার কয়েকটি দেয়া হলো--(১০) এড়েঁ গরুর লিঙ্গ সুরমার ন্যায় মিহীন করিবে। মধু মিশ্রীত করিয়া উহা সঙ্গমের কিছুক্ষণ পূর্বে সেবন করিবে। ইহাতে নিস্তেজ লিঙ্গেরও পুনরুত্থান হইবে।(১১) সহবাসের পূর্বে কুকুরের লিঙ্গ কাটিয়া উরুতে বাধিয়া লইবে , তাহলে সঙ্গম দীর্ঘস্থায়ী হইবে ।"(১৪) কুকুরের সঙ্গমকালে যখন মজবুতভাবে লাগিয়া যায় তখন সাবধানতার সহিত পুরুষ কুকুরের লেজ জড়ো থেকে কাটিয়া লইবে। চল্লিশ দিন উহা মাটির নিচে গাড়িয়া রাখিবে। অতপর মাটি হইতে বাহির করিবে এবং সূতায় গাঁথিয়া কোমড়ে ধারন করিবে। যতক্ষণ উহা কমড়ে থাকিবে ততকক্ষন বীর্যপাত হইবে না।"( নাউজুবিল্লাহ )তথ্যসূত্র : বেহেশস্থী জেওর , ২য ভলিউম , নবম খন্ড , চিকিত্সা অধ্যায় , পৃষ্ঠা ৩৭৭ , এমদাদিয়া লাইব্রেরি , চক বাজার ঢাকা , অনুবাদক : শামসুল হক ফরিদপুরী।
কি বুঝলেন ??
পৃথিবীর বুকে ইসলামের দুশমনী কারা এবং হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব এই দেওবন্দীরা করে আর কত প্রমান দিলে বিশ্বাস করবেন?
 কবে আপনাদের ঘুম ভাঙ্গবে ??
 এ সত্য বিষয়গুলা প্রকাশ করি বলেই আমরা দেওবন্দী দের চোখের বালি।
যতদিন মুসলমান নামধারী মুনাফিকদের চিহ্নিত করে তাদের সমূলে উৎপাটন না করতে পারবেন, ততদিন ভারতের মুসলমানরা এক হবে না, স্বাধীনতাও পাবে না, সময়ের স্রোতে হিন্দুদের দ্বারা অত্যাচারিত হতেই থাকবে। তাই সময় এসেছে এ দেওবন্দ মুনাফিকদের চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রতিহত করা। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সেই তৌফিক দান করুন। (আমীন)(বি:দ্র: দয়া করে অন্ধ দেওবন্দ ভক্তরা আমার নোটে তালগাছবাদী কমেন্ট করবেন না, নূনতম জ্ঞান নিয়ে বা পড়ালেখা করে এখানে কমেন্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি)